বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৩

মাওলানা সাঈদীর বিচার// পর্ব9-সাঈদীর আইনজীবীদের ওয়াকআউট


মেহেদী হাসান,১৬/১১/২০১১
মাওলানা দেলাওয়ার  হোসাইন সাঈদীর আইনজীবীরা  ট্রাইব্যুনাল থেকে ওয়াকআউট  করেছেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক কোন বিবেচনায় আদালতে বসেছেন তার ব্যাখ্যা না দেয়া পর্যন্ত আজ  শুনানির জন্য নির্ধারিত বিষয়বস্তু মুলতবী রাখার আবেদন করেন মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী তাজুল ইসলাম। কিন্তু মুলতবি  আবেদন গ্রহণ না করায় উপস্থিত সাঈদীর আইনজীবীরা একযোগে এজলাস কক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন।
আজ  মাওলানা সাঈদীর  চার্জশিটের  ওপর রিভিউ পিটিশনের শুনানী নির্ধারিত ছিল।  কিন্তু  সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরুর সাথে সাথে মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী তাজুল ইসলাম
২ টি আবেদন দাখিল করেন। প্রথম আবেদনে বলা হয়, ১৪ তারিখ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের পদত্যাগের বিষয়টি তার বিবেচনার ওপর ছেড়ে দিয়ে আদেশ পাশের পর  ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক কোন বিবেচনায় পুনরায় আদালতে বসেছেন সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।  অপরটি গতকালের নির্ধারিত রিভিউ পিটিশনের শুনানী মুলতবীর আবেদন জানান। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা না দেয়া পর্যন্ত নির্ধারিত রিভিউ পিটিশনের শুনানী মুলতবী রাখার প্রার্থনা করেন।


আদালত তখন বলেন,  বিষয়টি আপনারা গতকাল  উপস্থাপন করেননি। আজকে মাত্র করেছেন। আমরা আবেদনটি পাইনি। এ আবেদনে কী আছে আদালত তা অবহিত নয়। এ অবস্থায়  আমরা কিভাবে ওই আবেদনের শুনানী করতে পারি। তখন তাজুল ইমলাম বলেন, ১৪ তারিখের আদেশে বিষয়টি আপনার শুভ বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আজকে পর্যন্ত আমাদের আশা ছিল আপনি আদালতে বসবেননা। যেহেতু বসছেন তাই শেষ মুহূর্তে আমরা এই আবেদন দাখিল করেছি। গতকাল দাখিল করলে ওই আবেদনের পূর্ণতা পেতো না।  কারণ আমরা জানতাম না আপনি আজকে আদালতে বসবেন। এপর্যায়ে আদালত তাজুলের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের নির্ধারিত রিভিউ পিটিশনের ওপর শুনানী করেন। ওই আবেদনের শুনানী হবে ২০ নভেম্বর।  

অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আবেদন করার সময়  রাষ্ট্রপক্ষের  আইনজীবী সৈয়দ হাযদার আলী অভিযোগ করেন বিচার কাজকে বিলম্বিত করার জন্যই মুলতবী আবেদন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ১৪ নভেম্বর নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। তাই মুলতবী আবেদনের শুনানীর প্রশ্নই আসে না।
তখন উভয় পক্ষের  আইনজীবীদের মধ্যে  বিতর্ক শুরু হয়। এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমরা কোন আবেদন করলেই রাষ্ট্রপক্ষের  প্রসিকিউটরদের পক্ষ থেকে বিচার কাজে বাঁধাদানের অভিযোগ করা হয়। তাজুল ইসলাম  আদালতকে বলেন, আপনার বিরুদ্ধে  অভিযোগ আনা হয়েছে, আপনি অতীতে  ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির  গণতদন্ত কমিশনের সাথে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার আগে কেন আদালতে বসেছেন ? নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতে বসতে পারেন না। আপনি এখানে থাকলে আপনার নিজের জন্য যেমন বিব্রতকর; তেমনি আমাদের জন্যও বিব্রতকর। 
তাজুল ইসলামের মুলতবী আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আবারো আদালত দিনের  নির্ধারিত বিষয়ে শুনানীর জন্য নির্দেশ দেন। তখন তাজুল ইসলাম অন্যান্য আইনজীবীদের নিয়ে আদালত কক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন। মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীরা আদালত থেকে একযোগে বেরিয়ে  যাবার পর আদালত মাওলানা সাঈদীল চার্জশিটের   রিভিউ পিটিশনটিও আদালতে উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।

আদালত থেকে বেরিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৪ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের দুই বিচারপতি এ.টি.এম. ফজলে কবির এবং এ. কে. এম. জহির আহমেদ আদেশ দেন যে, টুাইব্যুনালের চেয়ারম্যানকে  অপসারন বিষয়ে রায় দেয়ার আইনগত এখতিয়ার তাদের  নেই। বিষয়টি তারা সংশ্লিষ্ট বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের সুবিবেবচনার ওপর  ছেড়ে দেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, যেহেতু  আদালতের রায়ে বিচারপতি নিজামুল হকের বিবেকের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন সে বিষয়ে আমরা ব্যাখ্যা চাচ্ছি কোন বিবেচনায় তিনি  আবার আদালতে বসেছেন। এর ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত আমরা আজকের রিভিউ পিটিশন মুলতবীর আবেদন জানিয়েছিলাম।  কিন্তু তা গ্রহণ না করায় আমরা বেরিয়ে এসেছি।
পরে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম সাংবাদিকদের বলেন, অনুমতি না নিয়ে আদালত থেকে ওয়াকআউট করায় সাঈদীর আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনালের নিয়ম সুপ্রিম কোর্টের বিধিবিধান লঙ্ঘন করেছেন। এর মাধ্যমে আদালতের মানমর্যদা ুন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, একটি নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে টেনে এনে ট্রাইব্যুনালের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন তারা। আদালত বা এজলাসের অনুমতি না নিয়ে কোন আইনজীবীর আদালত থেকে ওয়াকআউট করার কোন বিধান নেই। তিনি বলেন, এটা সংসদ নয়, আদালত। আদালত ত্যাগ করার আগে অনুমতি নিতে হয়। তাজুল ইসলামসহ সাঈদীর আইনজীবীরা এর মাধ্যমে আদালতের মান মর্যাদাকে ুন্ন করেছেন। ডিফেন্স কাউন্সিলের আচার আচরণ অগ্রহণযোগ্য ও অসৌজন্য। তাই তাজুল ইসলাম এর মাধ্যমে আদালত অবমাননা করেছেন। তার বিরুদ্ধে আলাপ আলোচনা করে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান।

নিজামুল হককে সরে দাঁড়ানোর দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের


অবিলম্বে  ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান পদ থেকে বিচারপতি নিজামুল হক এর  পদত্যাগ দাবি  করেছেন  সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সিনিয়র আইনজীবীবৃন্দ ।

মাওলনা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আইনজীবীরা ট্রাইব্যুনাল কক্ষ ত্যাগ করার পর  আজ দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সিনিয়র আইনজীবী বৃন্দ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে  ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান  বিচারপতি নিজামুল হককে সরে দাঁড়ানোর এ দাবি জানান ।

বিচার বিভাগ, সুপ্রিম কোর্ট  এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিতের  মর্যাদা  সমুন্নত রাখার স্বার্থে  অবিলম্বে বিচারপতি নিজামুল হককে নিজ  উদ্যোগে  সরে দাড়ানোর দাবি জানান ব্রিফিংয়ে উপস্থিত দেশের সিনিয়র আইনজীবীবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে  সুপ্রিম কোর্ট বারের  সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিঞা, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ব্যরিস্টার  বদরুদ্দোজা বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার এসময় সাংবাদিকদের বলেন, ১৪ তারিখের আদেশের পর বিচারপতি নিজামুল হকের আবার আদালতে বসা সুবিবেচনার কাজ হয়নি। এটা সুপ্রিম কোর্টের  জন্য মর্যাদাহানিকর বিষয়।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে   লিখিত  বক্তব্য পাঠ ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক । তিনি বলেন, ১৪ তারিখের আদালতের আদেশের পর সকল আইনজীবী আশা করেছিল বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম সুবিচেবনার পরিচয় দিয়ে সরে দড়াবেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। আজকে আমরা তাকে আদালতে  বসতে দেখে বিস্মিত হয়েছি।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকার পক্ষ থেকে সম্প্রতি দায়ের করা কিছু দলিল পত্রে দেখা যায়  বিচারপতি নিজামুল হক ঘাতক দালাল নিমুল কমিটি গঠিত গণতদন্ত কমিশনের সেক্রেটারিয়েটের  একজন সদস্য ছিলেন। বিএনপি  এবং জামায়াতের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে  যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে  তদন্তের  জন্য ১৯৯৩ সালে ঐ  কমিশন গঠন করা হয়। বিচারপতি নিজামুল হক তখন হাইকোর্টের একজন আইনজীবী ছিলেন।  মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ বর্তমানে আটক বিএনপির ২ জন  এবং জামায়াতের পাঁচ নেতাকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে  ঐ তদন্ত  কমিশন  রিপোর্ট জমা দেয় ১৯৯৪ সালে ।
মাওলানা সাঈদীর পক্ষ থেকে আইনজীবীরা  গত ২৭ অক্টোবর বিচারপতি নিজামুল হকের বিরুদ্ধে গণতদন্ত কমিশনের সাথে জড়িত থাকার  অভিযোগ এনে তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আবেদন জমা দেয়া হয়।  বাংলাদেশের সংবিধান, বিচারপতিদের আচরণ বিধি,  সুপ্রীম কোর্ট বিচারপতিদের শপথ,  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) রোম স্ট্যাটিউটসহ বিভিন্ন  আন্তর্জাতিক চুক্তি যেগুলোতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে ন্যায় বিচার  এবং মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে , যুদ্ধাপরাধ বিচারের লক্ষ্যে প্রণীত আইনের ৬ ধারা  এবং সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষনার আলোকে আমরা এ  আবেদন করেছি। গত ১৩ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়।  বিচারপতি নিজামুল হকের গণতদন্ত কমিশনের সাথে  সংশ্লিষ্টতা  এবং তার মাধ্যমে যে নিরপেক্ষ বিচার সম্ভব নয় সে বিষয়ে যুক্তিতর্ক  এবং  সিয়েরালিওন এবং লন্ডনের  দুটি উদাহরণ পেশ করা হয়েছে।  বিচারপতি নিজামুল হকের বিরুদ্ধে যেসব তথ্য প্রমান পেশ করা হয়েছে তাতে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমানিত হয়। ১৩ তারিখ শুনানী শেষে ১৪ তারিখ এ বিষয়ে আদালত  বলেন,  তাদের পক্ষে   বিচারপতি নিজামুলক হককে সরে দাড়ানো বিষয়ে  রায় দেয়ার কোন আইনগত এখতিয়ার নেই। বিষয়টি  ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের  সুবিবেচনার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তারা। এখন কোন বিবেচনায় তিনি আবার আদালতে বসলেন সে বিষয়ে আমরা ব্যাখ্যা চাওয়া  হয়েছে তার কাছ থেকে। কারণ ১৪ তারিখের আদেশে আদালত মাওলানা সাঈদীর পক্ষে  দায়ের করা  আবেদন প্রত্যাখ্যান করেননি। ১৩ তারিখের শুনানীতে যেসব যুক্তি এবং উদাহরণ উপস্থাপন করা হয়েছে তার একটিও  আদালত অস্বীকার করেনি রায়ে। তিনি যে গণতদন্ত কমিশনের সাথে জড়িত  ছিলেন তাও অস্বীকার করেণনি  আদালত। এসব অভিযোগ এবং যুক্তি আদালতে গৃহীত হয়েছে। এরপর আমরা আমরা আশা করেছিলাম তিনি নিজ থেকে সরে  দাঁড়াবেন।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ১৪ তারিখের আদেশে  মাওলানা সাঈদীর পক্ষে   দায়ের করা আবেদন  নিষ্পত্তি করা হয়েছে তবে আবেদনের মেরিটে না গিয়ে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের সুবিবেচনার ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল বিচাপরপতি নিজামুল হক নাসিমের পক্ষপাতদুষ্টতার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এই বলে যে,  তাদের  একজন সহবিচারকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবার এখতিয়ার তাদের নেই।  চেয়ারম্যানের পক্ষপাতদুষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রমানসহকারে যুক্তি উপস্থাপনের পরও সেটি এড়িয়ে  তার সরে দাড়ানোর বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল বিচারপতি নিজামুল হক এর সুবিবেচনার ওপর ছেড়ে দেয়ার যে আদেশ দিয়েছেন তাকে আমরা সঠিক মনে করি।

দলমত নির্বিশেষে  বারের সব সদস্য মনে করেণ বিচারপতি  নিজামুল হকের পদত্যাগ করা উচিত। সমাজের সচেতন জনগোষ্ঠীর এ বিষয়ে ঐকমত্য  প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, তিনি পদত্যাগ করলেননা। চেয়ারম্যান আজো (বুধবার) একটি রিভিউ আবেদন শুনানীর জন্য আদালতে অন্য দুজন বিচারপতির সাথে বসেছেন। এটি দুভ্যার্গজনক  এবং নজিরবিহনও বটে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “আমরা উদ্দাত্ত আহবান জানাচ্ছি বিচারপতি নিজামুল হক, আপনি একনি, অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করূণ। আপনি জোরপূর্বক এ পদে থেকে ন্যায় বিচারের পরিবেশ  দূষিত করবেননা। বিচার বিভাগের ওপর কালিমা লেপন করবেননা। আপনি বিচার বিভাগের ওপর অশ্রদ্ধা দেখিয়েছেন  এবং সর্বপোরি ন্যায় বিচারের ওপর জনগণের আস্থা নষ্ট করেছেন। আপানার চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকা প্রসিকিউশনের জন্য ক্ষতিকর এবং সরকারের জন্য বিব্রতকর। আমাদের আশঙ্কা  বিচারপতি নিজামুল হক যদি তার পদে বহাল থাকেন তাহলে তা আগামী দিনগুলিতে অনেক অপ্রত্যাশিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সুতরাং আমরা একযোগে বিচারপতি নিজামুল হকের প্রতি অনতিবিলম্বে পদত্যাগের  আহবান জানাচ্ছি। ”
এসময় উপস্থিত সাংবাদিকরা জানতে চান তার এ বক্তব্য সুপ্রীম কোর্ট বারের পক্ষ থেকে কিনা।  তখন বার সভাপতিসহ উপস্থিত অন্যান্যরা জানান, সুপ্রীম কোর্টের মর্যাদা, দেশের বিচার বিভাগের মর্যাদা  এবং স্বাধীনতা রক্ষায় এ ঘোষনা দেয়া হচ্ছে  এবং বিচারপতি নিজামুল হককে অবিলম্বে তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য দাবি জানানো যাচ্ছে।
দু:খজনক ঘটনার অবতারনা বলতে ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক কি বুঝিয়েছেন সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে  বার সভাপতি  খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সুপ্রীম জুড়িশিয়াল কাউন্সিলে আমাদের যেতে হতে পারে। সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি।
ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনারা আগামী রোববার আদালতে যাবেন কিনা ? জবাবে তিনি বলেন, ওইদিন আমাদের আইনজীবীরা আদালতে যাবেন।


এই সাইটের যেকোন লেখা, তথ্য উপাত্তা যেকেউ ব্যবহার, পুনমুদ্রন, পুন প্রচার, প্রকাশ করা যাবে; তবে শর্ত হল সূত্র হিসেবে Mehedy Hasan https//www.sayedeetrial.blogspot.com  উল্লেখ/লিঙ্ক  করতে হবে।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন