মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

মাওলানা সাঈদীর বিচার// পর্ব2-যেভাবে গ্রেফতার

যেভাবে গ্রেফতার 
মেহেদী হাসান
তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব রেজাউল হক চাঁদপুরী ২০১০ সালের ২১ মার্চ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের  পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে। মামলার আসামীরা হলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, ঢাকা মহনগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম খান এবং ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি আ স ম ইয়াহিয়া।

মামলায় বলা হয়, ১৭ মার্চ (২০১০)  সিরাতুন্নবী (সা.) উপলে ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভায় রফিকুল ইসলাম খান মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির নিজামীকে তুলনা করেন, যা ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতিতে আঘাত করেছে। ওই সভায় নিজামীসহ অন্য আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। মামলার পর মহানগর হাকিম তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। ২৯ জুন  তাদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ধার্য্য করা হয়। আ স ম ইয়াহিয়া ছাড়া জামায়াতের চার নেতা হাজির না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর মাওলানা সাঈদীকে ওইদিন অর্থাৎ ২০১০ সালের ২৯ জুন বিকালে শহীদবাগের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে প্রেসকাবের সামনে থেকে এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে সাভার থেকে বাড়ি যাবার পথে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের কর্তব্য কাজে বাঁধাদান, গাড়ি ভাংচুর, উত্তরা ষড়যন্ত্রের সাথে জাড়িত থাকাসহ বিভিন্ন মামলায় মাওলানা সাঈদীসহ অন্য দুই নেতার প্রত্যেককে ১৬ দিন করে রিমান্ড প্রদান করেন আদালত।
এভাবে বন্দী হবার পর পরবর্তীতে মাওলানা সাঈদীকে ট্রাইব্যুনালের অধীনে যুদ্ধাপরাধ মামলায় আটক দেখানো হয়।

এই সাইটের যেকোন লেখা, তথ্য উপাত্তা যেকেউ ব্যবহার, পুনমুদ্রন, পুন প্রচার, প্রকাশ করা যাবে; তবে শর্ত হল সূত্র হিসেবে Mehedy Hasan https//www.Sayedeetrial.blogspot.com  উল্লেখ/লিঙ্ক  করতে হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন